চিরিরবন্দর

থানায় জিডি করতে হয়রানি, কারন জানতে চাওয়ায় সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করলো পুলিশ

প্রিন্ট
থানায় জিডি করতে হয়রানি, কারন জানতে চাওয়ায় সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করলো পুলিশ

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:৪৬ আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, সন্ধ্যা ৭:৫০


দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানায় মোবাইল ফোন হারানোর সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গিয়ে চরম দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছেন দৈনিক কালবেলার সাংবাদিক জাফর ইকবাল।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে দশটায় চিরিরবন্দর থানায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জেলা পুলিশ সুপার বরাব র একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই সাংবাদিক। 

ভুক্তভোগী সাংবাদিক জাফর ইকবাল বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে মোবাইল ফোন হারানোর বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে চিরিরবন্দর থানায় যাই। সেখানে প্রথমে কম্পিউটার অপারেটর মোঃ সেলিমের কাছে গেলে সেখান থেকে আমাকে ডিউটি অফিসার মোঃ আখতারুজ্জামান (বিপি-৮৮০৮১২১৪৮৫)-র কাছে পাঠানো হয়। পরে ডিউটি অফিসার আবার আমাকে কম্পিউটার অপারেটরের কাছে যেতে বলেন। 

এভাবে কয়েক দফা ঘোরাঘুরির পর বিরক্ত হয়ে নিজের পরিচয় প্রদান করি। তিনি আমার আইডি কার্ড দেখতে চান। আমি আইডি কার্ড প্রদর্শন করলে ডিউটি অফিসার আমার আইডি কার্ড নিয়ে নেন ও সেটি তার কক্ষে নিয়ে রেখে দেন। এ সময় আমি বিষয়টি খানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আহসান হাবিবকে ফোন দিয়ে অবহিত করি এবং অভিযোগ করি যে, আমাকে হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হতে হচ্ছে। এ সময় এএসআই আশরাফুল ও এসআই জহুরুল হক এগিয়ে আসেন এবং কথোপকথনের একপর্যায়ে ডিউটি অফিসার আখতারুজ্জামান এসে আমার শার্টের কলার ধরে আমাকে লকআপে নেয়ার চেষ্টা করেন এবং আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়া হয়। 

একজন সংবাদকর্মী হয়েও খানায় আগত লোকজনের সামনে আমাকে হয়রানী এবং লাম্বিত হতে হয়। বিষয়টি তাৎক্ষণিক ভাবে আমার সহকর্মী এবং প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অবহিত করি। তাদের পরামর্শে আপনার বরাবর অভিযোগ দায়ের করছি এবং বিষয়টির যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ ও ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত পুলিশ সদস্য আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিনীত অনুরোধ করছি।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল ) আব্দুল হালিম বলেন, খবর পেয়ে আমি চিরবন্ধুর থানায় আসি। পুলিশ ও সাংবাদিক দুজনের সাথেই কথা বলেছি। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ওই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।