২০ শতাংশ জমিতে হলুদ রঙের তরমুজ চাষ করে সফল হওয়া কৃষকদের মধ্যে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার এক তরুণ কৃষক হাবিবুর রহমান।
এই কৃষক নতুন জাতের হলুদ তরমুজ চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন এবং স্থানীয় অন্যান্য কৃষকদের মধ্যেও উৎসাহ জুগিয়েছেন।
তার খেতের তরমুজ ফল দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষজন ও কৃষকরা আসেন। তার কাছে আসা কৃষকরা এই হলুদ জাতের তরমুজ চাষের কলাকৌশল জেনে আগামীতে তারাও চাষ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন।
মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে হাবিবুর রহমানে তরমুজ খেত পরিদর্শনে গেলে দেখা যায়, সবুজ পাতার ফাঁকে হলদ রঙের তরমুজগুলো। ফলের ওজন ও আকার সবাইকে আকৃষ্ট করেছে। শুধু আকার নয় অসাধারণ মিষ্টি স্বাদেরও। অফসিজন রঙ্গিলা জাতের হলুদ তরমুজ চাষ করে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন উপজেলার ৮ নং ভোগনগর ইউনিয়নের ভাবকী গ্রামের কৃষক মো: হাবিবুর রহমান।
কৃষক হাবিবুর রহমান জানান,
এ জাতটি চাষ করতে প্রতি শতকে বীজের প্রয়োজন ১ গ্রাম। উত্তম পরিচর্যায় একরে ফলন উৎপাদন হয় ৩০ থেকে ৩৫ টন। কৃষকরা সঠিক দাম পেলে এই জাতগুলো চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়বে কৃষকদের মধ্যে।’ তিনি আরও জানান, অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ জাতের তরমুজ দেখতে যেমন আকর্ষনীয়, খেতে তেমনি রসালো ও সুমিষ্ট। বাজারে বর্তমানে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এর দামও বেশ ভালো পাচ্ছেন তিনি। খেতে যে পরিমাণ তরমুজ রয়েছে তাতে অনেক টাকা আয় করতে পারবেন বলে জানান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: শরিফুল ইসলাম বলেন, দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অফসিজন রঙ্গিলা জাতের বীজ রোপণ করে লাভবান হয়েছে ভোগনগর ও মরিচা ইউনিয়নের কৃষক অতুল চন্দ্র ও হাবিবুর রহমান। এর মধ্যে অধিক ফলন ও ফলের স্বাদের পরিমাণে ও সবদিক থেকে এগিয়ে কৃষকের মন জয় করেছে হলুদ জাতের তরমুজ।’ তিনি আরো বলেন, ' উপজেলায়ও কৃষকদের মধ্যে এই যাতগুলোর চাষ ছড়িয়ে দিতে হবে।’আগামীতে এই জাতের তরমুজ চাষ সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশাবাদী।
মতামত