বীরগঞ্জ

বীরগঞ্জে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সরকারি সেবায় প্রবেশগম্যতা বৃদ্ধি বিষয়ক সমন্বয় সভা

প্রিন্ট
বীরগঞ্জে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সরকারি সেবায় প্রবেশগম্যতা বৃদ্ধি বিষয়ক সমন্বয় সভা

প্রকাশিত : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৮:৪২


দিনাজপুরের বীরগঞ্জে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সরকারি সেবায় প্রবেশগম্যতা বৃদ্ধি ও কমিউনিটি স্কোরকার্ডের ফলাফল বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় বীরগঞ্জ উপজেলা অফিসার্স ক্লাব হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঝানজিরা সমাজ কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে এবং জিএফএ কনসালটিং গ্রুপের সহযোগিতায় নাগরিকতা-সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ডের আওতায় সভাটির আয়োজন করা হয়।

সভায় সরকারি বিভিন্ন সেবা প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে আরও সহজলভ্য করা, সেবাগ্রহণে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করা এবং সেবার মানোন্নয়নে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

পাশাপাশি কমিউনিটি স্কোরকার্ডের মাধ্যমে জনগণের মতামত, প্রত্যাশা ও সরকারি সেবার বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়। ঝানজিরা সমাজ কল্যাণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা কামাল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমা খাতুন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আফরোজ সুলতানা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিবেদিতা দাস, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জমিল উদ্দীন মন্ডল উপজেলা আদিবাসী সমাজ উন্নয়ন সমিতি ও উপজেলা সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশনের আহবায়ক জোসেফ হেমরম, সুজালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম,মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুর রহমান চৌধুরী শাহিন।

এসময় ঝানজিরা সমাজ কল্যাণ সংস্থার প্রকল্প ব্যবস্থাপক হারুন অর রশিদ, মনিটরিং, ইভালুয়েশন

মোঃ মসিউর রহমান প্রকল্প কর্মকর্তা সাইফুল আলম ও সহকারী প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ মাসুদুজ্জামান জুয়েল সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা বলেন, দেশের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সরকারি সেবায় কার্যকর প্রবেশাধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি বিভিন্ন দপ্তর থেকে নাগরিকদের জন্য যেসব সেবা দেওয়া হয়, সেসব সেবা সম্পর্কে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে আরও বেশি অবহিত করতে হবে। একই সঙ্গে সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, কমিউনিটি স্কোরকার্ডের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের অভিজ্ঞতা ও মতামত জানা সম্ভব। এর ফলে সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে। জনগণের মতামতের ভিত্তিতে সেবার মান উন্নত করা গেলে সরকারি সেবার প্রতি মানুষের আস্থা আরও বাড়বে।

আলোচনা শেষে সরকারি সেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ ও প্রবেশগম্যতা আরও বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।