দিনাজপুরের হাকিমপুরে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার ৯ আসামিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। ডাকাতি প্রস্তুতি মামলায় রিমান্ড শেষে চার জন আসামীকে আবার আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এছাড়া মাদক মামলায় ৪৩২ পিস ইয়াবা সহ জন, অস্ত্র মামলার ১ জন ও মাদক সেবনের অপরাধে মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত এক জনকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন।
হাকিমপুর থানায় দায়ের করা একটি ডাকাতির মামলায় রিমান্ড শেষে চার আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তারা হলেন মো. আব্দুল ওহাব (৪৬), মো. নুর আলম জসিম (৪০), মো. মুসা আহাম্মেদ (৩০) ও মো. সোহান ইসলাম (২৯)।আব্দুল ওহাব আঃ বারীর ছেলে। নুর আলম জসিম ও মুসা আহাম্মেদ তছির উদ্দীনের ছেলে। তাদের বাড়ি হাকিমপুর উপজেলার বৈগ্রাম এলাকায়। অপর আসামি সোহান ইসলাম (২৯),ল মংলাপাড়া এলাকার আঃ মামুনের ছেলে।
ডাকাতির প্রস্তুতি সংক্রান্ত অপর একটি মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি মো. শহীদ নুর নবী ওরফে টেম্পু (২৮) ও মো. মাসুদ (২৪)-কে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শহীদ নুর নবী ওরফে টেম্পু শহিদুল ইসলাম এবং পালক পৌর শহরের মধ্যেবাসুদেবপুর এলাকার আঃ.হকের ছেলে, মাঠপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে মাসুদ রানা।
হাকিমপুর থানায় দায়ের করা অপর একটি মাদক মামলায় ৪৩২ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দুই আসামি মো. সাজ্জাদ হোসেন ওরফে রানা (৪৩) ও সাকিবুল ইসলাম ওরফে সাকিব (৪০)-কে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সাজ্জাদ হোসেন ওরফে রানা ঢাকার কদমতলী থানার শনিরআখড়া এলাকার আইনুল ইসলামের ছেলে। অপর আসামি সাকিবুল ইসলাম ওরফে সাকিব ঢাকার গেন্ডারিয়া থানার রজনী চৌধুরী রোড এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তার স্থায়ী ঠিকানা মাদারীপুর জেলার রাজৈন্ত থানার কৃষ্টপুর এলাকায়।
দীর্ঘদিনের একটি অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. রুবেল হোসেন (৩৪)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার নয়ানগর বালিপাড়া গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে।
এদিকে, হাকিমপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে অরুণ সরকার (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্ত অরুণ সরকার হাকিমপুর উপজেলার জাংগই গ্রামের মৃত ভবেশর রায়ের ছেলে। মোবাইল কোর্টে সাজা দেওয়ার পর তাকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে,বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর মোবাইল কোর্টে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মতামত