দিনাজপুরের হাকিমপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ০৬ জন, নিয়মিত মামলায় ০১ জন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতে ০৪ জন সাজাপ্রাপ্ত সহ ১১ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার রাতভর থানার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ মাদক বিরোধী ও গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলায় ১১ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ বাদশা আলম।
গ্রেফতার আসামীরা হলেন, থানার লোহাচড়া গ্রামের মুনছুর আলীর ছেলে ময়নুল ইসলাম (৩১), দক্ষিণ বাসুদেবপুর এলাকার আকছেদ আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৮), একই এলাকার শাহাদ আলীর ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (৪৫),ধরন্দা ফকিরপাড়া এলাকার লুৎফর রহমানের ছেলে মিন্টু রহমান (২৬), আকরাম মোল্লার ছেলে রাসেল মোল্লা (৩১), গিয়াস উদ্দিনের ছেলে সজল (২৭) কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের বয়েজউদ্দিনের ছেলে মক্তিয়ার হোসেন (৪৫), এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, নন্দিপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম এর ছেলে শাহাদাৎ (২৯), চকচকা গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে জুয়েল রানা (২৭), মাঠপাড়া এলাকার নুর আলীর ছেলে ছানোয়ার হোসেন (৩৬), ও ধরন্দা ফকিরপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে সাজু ইসলাম (৩৬)।
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ বাদশা আলম জানান,মাদক বিরোধী ও গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল অভিযান চলমান রয়েছে। তারই অংশ হিসেবে আমার নেতৃত্বে শুক্রবার রাতভর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামীদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ দুপুরেরপরে গ্রেফতার আসামীদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বিঃ দ্রঃ মোবাইল কোর্ট ভ্রাম্যমাণ আদালতে গ্রেফতার ৪ জন আসামিকে সাজা প্রদান করলেও কত দিনের সাজা বা কিধরণের সাজা প্রদান করা হয়েছে কোন তথ্য জানায়নি পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে প্রায় প্রতিনিয়ত পুলিশ অভিযান মাদক সেবনের অপরাধে আসামীদের গ্রেফতার করে। তবে মজার বিষয় হলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জর্জ মিত্র চাকমা প্রতিটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মামলার রায় বা সাজা প্রদান তাঁর নিজ কার্যালয়ে পুলিশ আসামীদের নিয়ে গেলে সেখানে বসেই তিনি তার বিচারিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ করে আসছেন। এতে সরকারি আদেশ কে বৃদ্ধাআঙ্গুলি দেখিয়ে দায় সাড়া কাজ করছে হাকিমপুরের ইউএনও জর্জ মিত্র চাকমা। এসব বিষয়ে জানার জন্য তাঁর সরকারি নাম্বারে গণমাধ্যম কর্মীরা বার বার যোগাযোগ করলেও তিনি কখনোই ফোন রিসিভ করেন না।
মতামত