ছবি : বেসরকারি এতিমখানা ও আশ্রমের মাঝে কেপিটেশন গ্রান্ডের চেক বিতরণ করা হচ্ছে
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, সংবিধানকে যারা ছুড়ে ফেলে দিতে চায় বা পদদলিত করতে চায়, তারা মূলত একাত্তরের পরাজিত শক্তি। তারা ১৯৭২ সালের সংবিধানকে নিক্ষিপ্ত করতে চায়, কারণ তাদের গাত্রদাহ হয়। কারণ সেই সময় তারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী ছিল।
আজ শনিবার দুপুরে দিনাজপুর শিশু একাডেমি মিলনায়তনে বেসরকারি এতিমখানা ও আশ্রমের মাঝে কেপিটেশন গ্রান্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭২ সালের সংবিধান কিংবা ১৯৭৫, ১৯৯০ ও ২৪ এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ত্যাগকে শ্রদ্ধা করে। জনগনের সব ত্যাগকে বিএনপি স্বীকার করে। অনেকেই ষড়যন্ত্র করেছিলেন পিছন দিক দিয়ে ক্ষমতায় চলে আসবেন, সচেতন জনগন তা বাস্তবায়িত হতে দেয়নি। জনগনের ইচ্ছা প্রতিফলিত হয়েছে। আমাদের নেতা তারেক রহমান জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ চৌধুরী প্রমুখ।
মন্ত্রী বলেন, বিএনপি যা বলে, বিএনপি তা করে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার সময় পালিয়ে যান নাই, আত্মসমর্পন করেন নাই। স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন। একইভাবে বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন, কোন আপোষ করেন নাই। ৮৬’র নির্বাচনে কারা স্বৈরাচারকে সমর্থন দিয়েছিল? বিএনপির জনগনের জন্য দায়বদ্ধতা রয়েছে। ৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া জনগনের দ্বারা দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে সংসদীয় গণতন্ত্র পূর্ণপ্রবর্তন করেছিলেন। তারেক রহমান একই ধারাবাহিকতায় কাজ করছেন। বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারে যা বলেছে, তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে। রাষ্ট্র পরিচালনা কিছু নিয়মনীতির ভিত্তিতে হয়। বিএনপি জানে ৭১ হলো সবচেয়ে বড় অর্জন।
মতামত