১৯৭১ সালে যে স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীননতা অর্জন করেছিল। তার পরেই যে দল নিজেদেরকে স্বাধীনতার কর্তৃতবাদী মনে করে সে দলের হাতেই বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দল গুলোকে নিষিদ্ধ করে বাকশাল কায়েম করা হয়ছিল। তারা রক্ষি বাহিনি গঠন করেছিল,রক্ষীবাহিনীর মাধ্যমে যারা রাষ্ট্রের ও সরকারের বিরোধিতা করত, অন্যায়ের প্রতিবাদ করত তাদেরকে সেসকল রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।
এখানে পুকুর ভরা মাছ,গলা ভরা ধান থাকা স্বত্বেও কি কারণে ১৯৭৪ সালে দূর্ভিক্ষ হয়েছিল সে কারণ আজও জানা যায়নি। যখন বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ চলছিল, মানুষ মারা যাচ্ছিল, মানুষের লাশগুলোকে কুকুর, শকুন খেয়ে ফেলছিল, সে সময় রাষ্ট্রের প্রধান তার সন্তানকে বিয়ে করিয়েছিল সোনার মুকুট পরিয়ে।
তিনি আরো বলেন, গত ১৫ বছরে আমরা দেখেছি এ জনপদে কিভাবে ফ্যাসিবাদ কায়েম করা হয়েছিল। ২০০৬ সালে পল্টনে লগি বৈঠা দিয়ে লবি বৈঠা দিয়ে বাংলাদেশের মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।উপরেও শুধু হত্যা করাই নয় সেই লাশগুলোর উপরও পৈশাচিক নির্যাতন করা হয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পরেও পিলখানা ট্রাজেডির নামে দেশের চৌকস সেনা অফিসারদের খুনি হাসিনা হত্যা করেছিল।
শাপলা চত্বলে নির্মমভাবে রাতের আঁধারে ইবাদতরত অবস্থায় ছিল সেই আলেম ওলামা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উপর নির্মমভাবে হত্যাকান্ড চালিয়েছিল খুনি হাসিনা।
যারা এই সরকারের বিরোধিতা করেছিল, অন্যায়ের প্রতিবাদ করত তাদেরকে গুম, খুন ও রিমান্ডের নামে গ্রেফতার করে নির্যাতন করা হত।
বুধবার সকালে দিনাজপুর ইনস্টিটিউট মাঠে দিনাজপুর -৩ উন্নয়ন ফোরামের আয়োজনে ছাত্র - নাগরিক যুবসমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ ।
অনুষ্ঠানে জেলা জামাতের আমির অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান, দিনাজপুর ৩ আসনের জামাতের প্রার্থী জামাতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাইনুল আলম সহ বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন
মতামত